NSUCC প্রকাশনা

আমি কতগুলো ব্যানার, পোস্টার, লোগো ডিজাইন করেছিলাম, ইনশাল্লাহ করবো। নীচে তার কিছু নমুনা দিলাম। আর আমাকে ডিজাইন এ সার্বিক সহায়তা করেছেন

আরিজ ভাই [https://www.facebook.com/areez.khan] . তাকে হাজারো ধন্যবাদ 🙂

This slideshow requires JavaScript.

পাই [π] এবং টাউ [τ] সঙ্গীত

কি ভাই নাম শুনে কিঞ্ছিত বিভ্রান্ত? হওয়াটাই স্বাভাবিক। পাই আর টাউ লাগে পদার্থ আর গনিত এ । সঙ্গীত এ এর ব্যবহার আসলো কোত্থেকে !!

Michael Jhon Black নামে এক ভদ্রলোক পাই আর টাউ এর মান নিয়া সংগীত বানাইসেন। কিভাবে তিনি এটা করসেন টা ভিডিও টাতেই আছে। তিনি এই constant গুলো এর মান কে মিউজিক্যাল নোট এ পরিবর্তন করেছেন, এবং বিভিন্ন বাদ্য যন্ত্র দিয়ে সেই নোট গুলো বাজিয়েছেন। নিচে youtube এর লিঙ্ক দেয়া হইছে। শুনিয়া বলিবেন যে কেমন লাগিল …

পাই সঙ্গীত- http://www.youtube.com/watch?v=YOQb_mtkEEE
টাউ সঙ্গীত-http://www.youtube.com/watch?v=3174T-3-59Q

একটা অনলাইন বাংলা রেডিও প্লেয়ার বানাইলাম !

১ দিনে ভিসুয়াল বেসিক শিখেই ভাবলাম একটা সফটওয়্যার বানাই যেটা সবাই ব্যাবহার করতে পারবে। এর আগে C,C++ আর Java দিয়ে কিছু সফটওয়্যার বানাইসিলাম, কিন্তু সেগুলা user friendly না। যাই হোক যেই ভাবা সেই কাজ শুরু করা। বানায়ে ফেললাম অনলাইন বাংলা রেডিও প্লেয়ার। খুবি simple কাজ, এবং simple interface । ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। এরকম সফটওয়্যার নেট এ অনেক পাওয়া যায়, তারপরেও এটা ব্যাবহার করে  দেখুন, এবং জানান আপনাদের মতামত। আপনাদের যদি ভালো লাগে তবে software টা upgrade  করার try করব।

[বিঃ দ্রঃ সফটওয়্যার টি শুধু মাত্র windows ব্যাবহার কারি দের জন্য। আমি ভিসুয়াল বেসিক এ নতুন, তাই এখনো বুঝতে পারি নাই যে প্লেয়ার টা চালাইতে PC তে কি কি থাকা লাগবে। যদি আপনার PC তে না চলে, তবে দয়া করে আপনার windows এর version এবং .NET framework এর ভার্সন টা জানাইয়েন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

নামঃ Bangla Streamer

লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/?du169igzwgdfnqj

BTCL এর ADSL ইন্টারনেট সেবার আদ্যোপান্ত

অনেকেই সরকারী কম্পানী এর কারনে BTCL খারাপ সার্ভিস দেওয়ার কথা চিন্তা করে. কিন্তু আমি BTCl এর ইন্টারনেট ব্যাবহার করে সন্তুষ্ট। আজ আমি BTCL এর ADSL ইন্টারনেট নিয়ে বলব। ADSL একটি নতুন প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে তামার তার দিয়ে ব্রডব্যান্ড সুবিধা পাওয়া যায়। এবং এ প্রযুক্তি ব্যাবহার করলে একই সাথে ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যায়। আসুন ADSL সম্পর্কে জানি।

ADSL কি?

WIKIPEDIA থেকে জানা যায়-

Asymmetric Digital Subscriber Line (ADSL) is one form of the Digital Subscriber Line technology, a data communications technology that enables faster data transmission over copper telephone lines than a conventional voiceband modem can provide. It does this by utilizing frequencies that are not used by a voice telephone call.[1] A splitter, or DSL filter, allows a single telephone connection to be used for both ADSL service and voice calls at the same time.

পুরো ব্যাপার টা জানতে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন।

http://en.wikipedia.org/wiki/Asymmetric_Digital_Subscriber_Line

BTCL এর ইন্টারনেট সম্পর্কে জানি

btcl

BTCL এর ADSL সেবা কে BCUBE নাম দেয়া হয়েছে। EMEM Systems নামে একটি কম্পানি কে outsourcing company হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। BCUBE এর রয়েছে কতগুল প্যাকেজ। প্যাকেজ গুলো দেখতে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন।

http://www.bcube.net.bd/tariff.html

কিভাবে আবেদন করবো?

আবেদন প্রক্রিয়া দুই ভাবে করা যায়। একটি হচ্ছে আপনার TNT Exchange এ এবং আরেকটি হচ্ছে EMEM SYSTEMS এর কার্যালয় এ গিয়ে। একটি ফর্ম নিতে হবে, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে, আপনার সর্বশেষ পরিশোধিত বিল এর কপি। বলা বাহুল্য যে, আপনার অবশ্যই একটি BTCL CONNECTION লাগবে। ফর্ম জমা নেয়ার ৭ কার্যদিবস পর আপনি আপনার USER ID and PASSWORD পেয়ে যাবেন।

কি ধরনের মোডেম লাগবে?

আপনি EMEM এর দেয়া মোডেম কিনতে পারেন। আবার নিজেও কিনতে পারেন। তবে মোডেম ইত অবশ্যই ADSL+2 সুবিধা যুক্ত হতে হবে।

স্পীড কেমন?

BCUBE সেবা shared type internet. তাই আপনি যদি 256kbps এর নেট ব্যাবহার করেন তাহলে কখনো ২০০kbps কখনো ৩০০kbps স্পীড পাবেন। তবে গড়ে ২৫৬kbps ই পাবেন।

ইউটিউব এর এই ভিডিও টি দেখুন-

http://www.youtube.com/watch?v=PfGmupc2D3I

PINGTEST এর ফলাফলঃ

PINGTEST এ A পায়।

#টিপসঃ

  • ১। এই লিঙ্ক এ BCUBE নিয়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন-
    http://forum.projanmo.com/topic19713.html
  • ২। শের এ বাংলা এক্সচেঞ্জ এর গ্রাহক রা BCUBE না নেয়াই ভাল।
  • ৩। মোডেম এর mode , ADSL+2 না দিয়ে শুধু G.lite ব্যাবহার করুন।
  • ৪। আপনার USER ID এবং password কাউকে দিবেন না।
  • ৫। বাহির থেকে মোডেম কিনলে TP-LINK or D-link মোডেম কেনা উচিত।

মোডেম setup করতে এই ভিডিও টি দেখুন-

http://www.youtube.com/watch?v=IrzJWEgTzB4

[ ব্লগ টি ভাল লাগলে জানাবেন]

Windows 7 এর বিকল্প ZORIN OS 5

উইন্ডোজ ব্যবহারকারি রা প্রায়েই বিরক্ত হন WINDOWS OS এর উপর। আমিও তাদের দলে। এই বিরক্তির তিন কারন-

  • ভাইরাস এর আক্রমন
  • বারবার ক্রাশ খাওয়া, ফলে বারবার সেটআপ মারা । [আমার একবার এক দিনেই ৬ বার উইন্ডোজ xp সেটআপ মারা লাগসিলো। :@ ]
  • ক্র্যাক ঠিকমত না হইলে আপডেট মারা যায় না। এমনেই উইন্ডোজ এর হাজারো বাগ , তারপর আবার আপডেট করতে না দিলে ত পুরাই মুড়ি।

    এছাড়া আরো কোন অভিযোগ থাকলে জানাইতে পারেন।

    এখন এই হুদাই প্রব্লেম এর সমাধান কি?

    অন্য OS ব্যবহার করা স্টার্ট দেন । । ।

    মাগার কোনটা?

    আর কোন os এর নাম জানেন ?

    না জানলে এই লিঙ্ক এ যাইতে পারেন – http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_operating_systems

    থাক এতো নাম জানার দরকার নাই। লিনাক্স এর নাম জানেন তো ?  আমি জানি আপনি জানেন ।। টেক টিউনস এ ঢুকেন আর লিনাক্স এর নাম জানবেন না , এইটা কোন কথা ?
    না জানলে এই লিঙ্ক এ জায়া ১৪ গুষ্টির খবর জেনে নেন – http://en.wikipedia.org/wiki/Linux

    এর হাজারো সুফল শুনবেন যে এইটা open source,মাগনা, legal ইত্যাদি।

    ব্যাপার হইলো যে অনেকেই এত কিছু শুনিয়াও লিনাক্স এ জাইতে চায়ে না , তাহার ৩ টা কারন-

    • উইন্ডোজ এর অ্যাপ্লিকেশান চালান যায় না। বিকল্প সফট থাকলে হবে না। যেমন আমার OPEN OFFICE দিলে হবে না, আমার MS OFFICE ই লাগবে।
    • দেখতে সুন্দর না। [মিয়া আমি আমার পিসি দেখতে ভাবের হউয়াই লাগবে ]
    • User Friendly না। [কোনটা কেমনে চালাব না জানলে তো সমস্যা !]

      এইগুলার সমাধান কি?
      সমসসা যখন আছে, সমাধান ও আছে ।
      আর তাই খবর নিয়া আসছি নতুন লিনাক্স ডিস্ত্রো নিয়া। যার নাম Zorin OS 5.

      ইহা এমন এক OS যাহা user friendly, এবং উইন্ডোজ এর বিকল্প। চলেন কিছু ছবি দেখি-

      Zorin Desktop


      এর আরও বড় মজা যে এটি উইন্ডোজ এর অ্যাপ্লিকেশান চালাইতে পারে। পুরাই উসসাই… 😀

      এখন বলেন কেন আপনি লিনাক্স এ যাবেন না?

      রিভিউ দেখতে চান ? তাইলে এই ভিডিও দেখেন
      http://www.youtube.com/watch?v=AkuuX9dYfz

      আর ডাউনলোড মারেন এইখান থেকে –

      http://zorin-os.com/free.html

      ধন্যবাদ আপনাদেরকে আমার এই ব্লগ টি পড়ার জন্য।

      জাতীয় ভাবে স্বীকৃত বাংলা কীবোর্ড চাই

      আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বাংলা কীবোর্ড চাই।

      বাংলা ভাষা আমাদের রাষ্ট্রভাষা। বিশ্বের মোট ভাষাভাষীদের সংখ্যা গত দিক দিয়ে বাংলা ভাষার স্থান ষষ্ঠ। যেই ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন সালাম,বরকত রা । যে ভাষায় লেখা হয়েছে লাখো কবিতা,গান,উপন্যাস । কিন্তু দু:খের ব্যাপার এই যে আমাদের এই ভাষার কোন আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বাংলা কীবোর্ড লেআউট নেই। আমরা আজো ব্যবহার করি নানা বাংলা কীবোর্ড সফটওয়্যার যেমন: অভ্র,বিজয়,প্রশিকা ইত্যাদি। ৯০ এর দশক হতে আজ পর্যন্ত নানা কীবোর্ড লেয়াউট। যেমন: বিজয়,নয়ন বাংলা, প্রভাতি, ইউনিজয়, বর্ণনা ইত্যাদি। অ্যাসকি যুগ থেকে ইউনিকোড যুগে পদার্পণ এর পর ও আমরা পাইনি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বাংলা কীবোর্ড লেআউট। মাইক্রোসফট তাদের অপারেটিং সিস্টেম এ বাংলা ভাষা লেখার জন্য ব্যবহার করছে ভারতে ব্যবহৃত এবং আবিষ্কৃত  INSCRIPT কীবোর্ড টি। যা আমাদের দেশে কেউই ব্যবহার করেন বলে জানা নেই। কেন এ দুরবস্থা?

       

      কীবোর্ড লেআউট নকশাকরন কোন সহজ কম্ম নয়। এর জন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক সাধনা,অনুসন্ধান । দ্রুততা, দু হাতের ভারসাম্যতার প্রতি নজরদারি প্রধান বিষয় হয়ে থাকে কীবোর্ড লেআউট নকশাকরন। আরামদায়ক টাইপিংয়ের  অভাবে কার্পাল টানেল (Carpal Tunnel, এই রোগের লক্ষণ সমূহ হলো বৃদ্ধাঙ্গুলি, মধ্যমা, তর্জনী অথবা হাতের কব্জিতে অবশ অনুভব, তীব্র স্নায়ুবিক যাতনা অথবা দুর্বল অনুভব করা, ক্রণিক কার্পেল টানেলের ক্ষেত্রে নার্ভ ড্যামেজের আশংকা থাকে) বা আরএসআই ইনজুরি(Repetitive strain injury, পুনরাবৃত্তি কাজের চাপে বাহু অথবা হাতের পেশী, অপেক্ষাকৃত নরম টিস্যুতে অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব করা) জাতীয় স্বাস্থ্যগত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।

      তুরস্ক তে কীবোর্ড লেআউট নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়েছিল।  গবেষণার মাধ্যমে তুর্কী বর্ণমালার অক্ষর ফ্রিকোয়েন্সি নির্ণয় করা হয়। এ কাজে সাহায্য করে টার্কিশ ল্যাংগুয়েজ এ্যাসোসিয়েশন।  প্রাপ্ত তথ্যগুলো কাজে লাগানো হয় অস্থি এবং পেশী এনাটমি গবেষণায়। অতঃপর ১৯৫৫ সালে তুর্কী জাতীয় কী-বোর্ড, টার্কিশ এফ কী-বোর্ড, উদ্ভাবিত হয়। এই কী-বোর্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো টাইপিংয়ে দুই হাতের ভারসাম্য রক্ষা। ৪৯% কী-স্ট্রোক বাম হাতের জন্য এবং ৫১% কী-স্ট্রোক ডান হাতের জন্য। টার্কিশ ল্যাংগুয়েজ এ্যাসোসিয়েশনের মত  আমারদের রয়েছে রয়েছে- বাংলা একাডেমী। তাদের মাধ্যমে আমরা করতে পারি গবেষণা এবং পেতে পারি বিজ্ঞানসম্মত একটি কীবোর্ড।

      BCC এর দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল “জাতীয় কীবোর্ড”। যা পুরোপুরি বিজ্ঞানসম্মত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে! তাছাড়া  এই কীবোর্ড লেআউট এর সাথে “বিজয় কীবোর্ড” লেআউট এর অনেকাংশে মিল। আর যদি সরকারের এই কীবোর্ড লেআউট কেই জাতীয় ভাবে প্রণয়ন করার ইচ্ছা থাকে তাহলে ইহা কেন সার্বজনীন ভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি?

      ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সূচনায় আমাদের দাবি সার্বজনীন এবং আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি কীবোর্ড। যা ব্যবহার করবে সকল বাংলা ভাষাভাষী। যার জন্য প্রয়োজন হবে না আলাদা সফটওয়্যার এর। যা থাকবে সকল অপারেটিং সিস্টেম এ স্বয়ংক্রিয় ভাবে। এই দাবি কি আমরা করতে পারি না????

      [ টিউন টি তে কোন ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে দেখবেন এবং আমাকে জানাবেন]